মামা যুবলীগ নেতা, ভাতিজা-ভাগ্নের দাপট সেই!

বেঙ্গল রিপোর্ট২৪
ফাইজুল ইসলাম ফাইজুল। ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিন একই পদে বহাল থাকায় ফতুল্লার বেশ কিছু এলাকায় তার এক চেটিয়া দাপট আছে বলে শোনা যায়। তার এই দাপটকে কাজে লাগিয়ে ভাগিনা মিশু ও ভাতিজা নোভেল একের পর এক অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের এরূপ কর্মকান্ডে অতিষ্ট ওই এলাকার সাধারণ মানুষ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মামার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ফতুল্লার কাইমপুর এলাকার জামাই শহিদের ছেলে মিশু সাধারন মানুষকে কারন ছাড়াই মারধর করে। এলাকার মানুষকে ধরে নিয়ে কোনো মাঠ অথবা নির্জন স্থানে নিয়ে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মাদক ব্যবসায়ী বলে মারধর করে। কেউ এসব বিষয়ে কিছু বলতে গেলে উল্টো হুমকির মুখে পরতে হয়। এছাড়াও মিশু শিবুমার্কেট থেকে আই ই টি স্কুল রোডে চলাচল করা ইজিবাইক, ট্রাক সহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা নেয়। এসব চাঁদা উত্তলনের জন্য ২জন লোক নিয়োগ দিয়েছে সে। তাছাড়া মিশু প্রতি রাতে নিজ বাসায়সহ এলাকার বিভিন্ন স্থানে জুয়ার আসর বসায়। বিভিন্ন লোক দিয়ে মাদক ব্যবসা এবং সে নিজেও প্রতিনিয়ত মাদক সেবন করে।

অন্যদিকে ৭ নং ওয়ার্ডের সেলিম মেম্বারের ছেলে নোবেলের বিরুদ্ধেও অভিযোগের শেষ নেই। বাবা মেম্বার আর চাচা নেতা’ এই প্রভাবে ইভটিজিং, মানুষকে মারধর, মাদক সেবন সহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

জানা যায়, অনেক দিন ধরে ফাইজুল ইসলাম ফতুল্লা থানা যুব লীগের সাধারন সম্পাদক পদে আছে। আর এই ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তার আপন ভাগিনা, ভাতিজা সহ তার অনুসারী অনেকেই চাঁদাবাজী, মারামারি, ইভটিজিং, মাদকসেবন, জুয়ার বোড বসানো সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করেই চলেছে।

এলাকাবাসীর এসকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করা হয় ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম ফাইজুলকে। তিনি বলেন, আমার ভাতিজা বা ভাগিনা যেই হোক না কেনো তার নামে থানায় একটা অভিযোগ দায়ের করে পুলিশে ধরিয়ে দিন।

প্রতিবেদকের কাছে প্রমাণ চেয়ে তিনি আরও বলেন, আমাকে সঠিক প্রমান দেন আমি নিজেই ব্যবস্থা নেবো। তবে কথা হলো আপনারা একটু তদন্ত করে দেখেন।

চাঁদাবাজীর বিষয়ে ফাইজুল বলেন, আমাদের এখানে গাড়ি থেকে কেউ চাঁদা নেয় না। যারা নেয় তাদের কাছে বলেন কেন চাঁদা নেয়!

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail