দূর্ঘটনা ঘটছে নিয়ম শৃংখলা মানছে না বলে:নৌ-প্রতিমন্ত্রী

নদী পথে বিভিন্ন নৌ-যান চালকরা সরকারি নির্দেশনা ও নিয়ম শৃংখলা মানছে না বলে নৌ-পথে দূর্ঘটনা ঘটছে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ হোসাইন চৌধুরী। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় কর্ণফুলী শীপ বিল্ডার্সে বিআইডব্লিউটিএ’র জন্য চারটি “কাটার সাকশান ড্রেজার” এবং মোংলা বন্দরের জন্য একটি ‘বয়া লিফটিং জাহাজ’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌ-দূর্ঘটনা রোধে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণসহ চালকদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছে। বিধিনিষেধ মেনে চলতে তাদের বার বার তাগিদও দেয়া হচ্ছে। তরপরেও নৌ-যান চালকরা তা অমান্য করায় দূর্ঘটনা ঘটে চলছে। নৌ-দূর্ঘটনা রোধ করতে হলে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। নৌ-পথে সরকারি সকল নির্দেশনা ও নিয়ম শৃংখলা মেনে চলতে নৌ-যান চালকদের প্রতি কঠোর নির্দেশসহ মালিকদেরও সতর্ক হওয়ার আহবান জানান তিনি।

নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকার একশ’ বছর মেয়াদী নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীর নব্যতা ও গতিপথ ঠিক রাখতে সারা দেশেই খনন কাজ চলছে। নদী দখলমুক্ত করতে দখলদারদের উচ্ছদ করা হচ্ছে। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়ার আমলে বঙ্গবন্ধুর পরিবার নিয়ে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে তার কোন প্রমান গত ৫০ বছরে তারা দিতে পারেনি। জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়ারা বাংলাদেশে জন্য কিছুই রাখে নাই তারা শুধু শোষণ করেছে। মন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের জিডিপি ৬ ছাড়িয়ে গেছে কিন্তু অনেক দেশ তাদের জিডিপি ধরে রাখতে পারে নাই। গত কয়দিন আগেও দেখলাম ইউরোপে চাল-তেলে দাম অনেক বেড়েছে অথচ আমাদের দেশে হরতাল করেছে।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকল প্রকার নৌযান তৈরীতে সক্ষমতা অর্জন করেছি, বাংলাদেশ সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখার জন্য সার্বভৌমত ধরে রাখার জন্য অনেকগুলো সেনা নিবাস তৈরি করা হয়েছে, এয়ারবেজ তৈরি করা হয়েছে, নৌ বেজ তৈরি করা হয়েছে। নৌ বাহীনিতে সাবমেরিন যুক্ত করা হয়েছে। বিমান বাহিনীতে অনেকে বিমান যুক্ত করা হয়েছে, সেনার অত্যধুনিক সমর অসস্ত্র গড়ে তোলা হয়েছে শুধু বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার করার জন্য।

উদ্বোধন শেষে নৌ-প্রতিমন্ত্রী জাহাজ নির্মান প্রতিষ্ঠানটির টেকনিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ পরিদর্শন করে নির্মান কাজ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন চৌধুরী, মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান আহমদ শামীম আল রাজী, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক এবং কর্ণফুলী শীপ বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ।