খাবারের ব্যবস্থা নেই তবুও বলছে ঘরে থাকুন!

করোনাভাইরাস সংক্রোমন রোধে সমগ্র নারায়ণগঞ্জে পালিত হচ্ছে সরকার ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচী। ইতি মধ্যে নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রোমণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। দিন রাত একযোগে প্রশাসনের কর্মকর্তারা নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর গরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে কঠর অবস্থায় রয়েছে। মানুষকে সচেতনতার পাশিপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এলাকায় এলাকায় পুলিশি টহল অনেকাংশেই বেড়ে গেছে। অপরদিকে চলমান লকডাউন প্রেক্ষাপটের কারনে বিপাকে পড়েছে স্থানীয় দিনমজুর মানুষ। বাসা থেকে বের হতে পারছেনা। কামাই রোজগারও বন্ধ। এমন অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছে স্থানীয়রা।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, কাশিপুর ইউনিনের বাংলা বাজার এলাকায় লকডাউন ভেঙ্গে বুধবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয়রা বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করা একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তাদের ইউনিয়নর চেয়ারম্যান এম. সাইফ উল্লাহ বাদল অদ্যবদি সাধারণ মানুষদের কোন খোঁজ খবর নেয়নি এবং সরকার কর্তৃক প্রেরিত দুস্থদের তান মাগ্রী নিয়ে নয় ছয় হিসাবও করছে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কাশিপুর বাংলা বাজার এলাকায় স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, বাংলা বাজার এলাকায় স্থানীয় মেম্বার আইয়ুব আলী ও তার সঙ্গীয়রা মানুষদের আইডি কার্ড দেখে ত্রাণ বিতরণ করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছিলেন। তাদের অভিযোগ হাতে গুনা কয়েকজন আইডি কার্ডদ্বারীদের কয়েক কেজি চাল দিয়ে তারা বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের দাবী ত্রাণ নাকি শেষ হয়ে গেছে।

স্থানীয় আরেক সচেতন নাগরীক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন বাংলাদেশ কোন দূর্ভিক্ষ হয়নি। যারা দূর্ভিক্ষের সময় নিজেদের আখের গোছায় তারা দীর্ঘদিন ধরে এই সময়টির অপেক্ষা করছিরন। এমন এক সংকটাপন্ন সময়ে কাশিপুর বাংলা বাজার এলাকাল ওয়ার্ড মেম্বার সহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম. সাইফ উল্লাহ বাদলের সাঙ্গপাঙ্গরা ত্রাণ নিয়ে নিজেদের গোডাউন ভর্তি করছে। তারা লোক ও মুখ দেখে ত্রান বিতরণ করছে। এই দূর্ভিক্ষের সময়ই তারা কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছে বলে তাদের অভিযোগ।

স্থানীয়রা বিক্ষোভে অংশগ্রহন করে বলেন, আমাদের পেটে ভাত নাই তারা বলছে লকডাউন। আমাদের খাবারের কোন বন্দব্যবস্থা নেই তারা বলছে ঘরে থাকুন। না ক্ষেয়ে ঘরে কিভাবে পরিবার নিয়ে থাকবো এমনই প্রশ্ন স্থানীয়দের।