আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ-সায়েম

বেঙ্গল রিপোর্ট২৪
নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত স্থানীয় একটি পত্রিকায় ‘শ্লীলতার অভিযোগ সায়েমের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদটি অভিযুক্ত সায়েম আহমেদ এর নজরে আসলে তিনি সংবাদকর্মীদের বলেন, মামলার বরাদ দিয়ে তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি মহল তার সামাজিক ও পারিবারিক সম্মান হানি করার জন্য মিথ্যা মামলা করে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি সেই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সংবাদ শিরোনামে মামলা এবং অভিযোগের বরাদ দিয়ে উল্লেখ্য করা হয়, সায়েম গংদের বিরুদ্ধে বেআইনি জনতাবদ্ধে অনাধিকার বসত ঘরে প্রবেশ করিয়া মারপিট চুরি শ্লীলতাহানী ভাঙচুরের অপরাধে ছালেহা বেগম (৬০) এক নারী ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালের সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নম্বর ২। ছালেহা বেগম অভিযোগে বলেন, সায়েম এবং আলীর সাথে আমার স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। তার সুত্র ধরে তারা আমার ঘর দখলের চেস্টা করে। একই সাথে আমার ও ভাশুরের মেয়ের সাথে শ্লীলতাহানী করে।

এদিকে সায়েম আহমেদ তাদের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দবি করে তিনি বলেন, আমি ছালেহা বগেমকে শ্লীলতাহানী করব দুরের থাক তাকেই আমি চিনিই না। একই সাথে তিনিও আমাকে চিনেন না। মামলা বাদী বলেছে তিনি নিজে নিউজ করা নাই। অন্য কেউ করিয়েছে। নগরীতে আমার যথেষ্ট সম্মান আছে। আমি আমার ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকি। পাশাপাশি এলাকার সামাজিক কল্যান মুলক কাজে থাকি। একই সাথে মানুষের সেবা করি। নারীরা মায়ের জাতি তাদের আমি সব সময় শ্রদ্ধা করি। তাদের সাথে কখনো আমি কোন ধরনের শ্লীলতাহানী করি নাই। সৈয়দপুর মৌজাস্থত এলাকায় এস এ ৭৫ আর এস ১৬, এস এ ৫৯,আর এস ৪০৬ খতিয়ান ভুক্ত এস এ ২৫৮,আর এস ২৫০ নম্বর দাগে ষোল আনায় ৪৪ শতাংশের কাতে আমার ৪০ শতাংশ একটি জায়গা আছে।

যাহার উত্তরে আক্কাছ আলী গং,দক্ষিনে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা,পূর্বে হানিফ গং,পশ্চিমে ইউনিয়ন পরিষদের সড়ক। ছালেহা বেগমের স্বামী রুস্তম আলী গংরা আমরা ওই জায়গা দখলের চেষ্টা করে, আমার ভাই গিয়ে বাধা প্রদান করলে তারা তা মানে নাই। পরে আমি আদালতের সরনাপন্ন হয়ে ১৪৫ ধারায় মামলা করি। যার প্রেক্ষিতে আদালত আমার কাগজ দেখে আমাদের পক্ষে রায় দেন। সেই সাথে মামলার বিবাদি রুস্তম আলীদের ওই জায়গায় প্রবেশ নিষেধ জারি করেন। আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করায় নিন্দা জ্ঞাপন করছি।